মাসির সাথে দুষ্টুমি

SoumiX

  | October 26, 2025


Completed |   0 | 0 |   517

Part 1

সকালে তাড়াতাড়ি উঠলাম ওই ৬টা নাগাদ, উঠে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে মাসির কাছে আসতেই মাসি বলল,

— “চল তাড়াতাড়ি , ব্যাগ গুছা। আজ আমরা বেড়াতে যাবো দুজনে।”

আমি বললাম — “বেড়াতে ? নাকি প্রেম করতে ? “

মাসি বললো — “ বেড়াতে, প্রেম করতে, আদর খেতে, তোমাকে মেয়ে করতে, সবকিছুই “।

আমি অবাক হয়ে বললাম,

— “এত্ত কিছু ?”

মাসি ব্যাগ গুছাতে গুছাতে আদুরে গলায় বললো — “ হ্যাঁ “

তারপর ব্যাগ গুছানোর পরে মাসি বললো — “এবারে শপিং করতে যাবো “।

শপিংমল বেশি দূরে না, তাই আমরা তাড়াতাড়ি শপিং করতে বেরোলাম।

আমরা ট্যাক্সিতে করে শপিং মলে পৌঁছালাম। বিশাল কাঁচের দরজা দিয়ে ঢুকতেই চারপাশে শুধু আলো, রঙিন পোশাক আর কসমেটিকের গন্ধে যেন মাথা ঘুরে যাচ্ছিল।

মাসি প্রথমেই আমাকে নিয়ে গেলেন মহিলাদের পোশাকের ফ্লোরে।

— “দেখ, এই কুর্তিটার কালার কেমন?”

আমি একটু লাজুক গলায় বললাম,

— “সুন্দর… কিন্তু আমি…”

তিনি কথা কেটে দিয়ে বললেন,

— “কিন্তু-টিন্তু কিছু না, এটা তোমাকে আমি পরাবো সোনা, ভালো মেয়ের মতো পরতে হবে চুপ করে।”

আমি বললাম -” আমি ভালো নই তো “

মাসি বললো — “ তাহলে দুষ্টু মেয়ে হয়েই পরবে তুমি।”

আমরা একের পর এক সালোয়ার, কুর্তি, লেগিংস দেখতে লাগলাম। মাসি মাঝে মাঝে ঠাট্টা করে বলছিলেন,

— “এইটা পরে তোকে আয়নার সামনে নাচ করাবো।”

আমি লজ্জা পেয়ে বললাম,

— “আরে, এত লোকের সামনে এসব বলো না।”

মাসি বলে — “আরে, লজ্জা করলে চলবে না, ফ্যাশন মানে আত্মবিশ্বাস।”

তারপর মেসি বললো সামনের কাউন্টার এর সেলস গার্ল কে — “কিছু স্টকিঙ্গস দেখান তো প্লিজ “।

সেলস গার্ল আমাকে আড়চোখে একবার দেখে নিয়ে মাসির কথা মতো তিন চারটি আলাদা আলাদা রঙের নেট স্টকিংস তুলে আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন,

— “দেখুন পচন্দ হয় কিনা।”

আমি হেসে বললাম,

— “পছন্দ তো সবই ”

মাসি গম্ভীর ভঙ্গিতে বললেন,

— “পরে যদি বলেছো যে পছন্দ না , পিটুনি খাবে তখন।”

তারপর ৩ তা স্টকিঙ্গস প্যাক করে নিলাম আমরা ও আমি মাসির সাথে শাড়ির সেকশনে গেলাম।

শাড়ির সেকশনে পৌঁছেই মাসির চোখ জ্বলে উঠল।

— “এই রেড জর্জেট শাড়িটা একদম তোর জন্য।”

আমি বললাম — “না, এটা খুব বেশি ব্রাইট।”

মাসি বললো — “চুপচাপ ব্যাগে ঢুকিয়ে নে, পরে একদিন আয়নার সামনে দেখে আমাকে ধন্যবাদ দিবি।”

আমি কিছু বলার আগেই তিনি ম্যাচিং স্লিভলেস ব্লাউজও পছন্দ করে ফেললেন।

— “এই কাটটা তোর ওপর একেবারে পারফেক্ট হবে।”

আমি লজ্জা পেয়ে চুপ করে রইলাম।

তিনি হাসলেন, — “এই যে মুখটা টকটকে লাল হচ্ছে, মনে হচ্ছে ঠিক জায়গায় শট লেগেছে।”

কেনাকাটার ফাঁকে খালাও নিজের জন্য কয়েকটা কুর্তি আর হালকা শাড়ি বেছে নিলেন।

আমি দুষ্টুমি করে একটা সেক্সি ওয়ান পিস্ দেখিয়ে বললাম বললাম,

— “এই কালারটা তোমার ওপর দারুণ লাগবে।”

তিনি মজা করে বললেন,

— “তাহলে কিনব, কিন্তু শর্ত আছে — আমার সাথে সেজেগুজে ঘুরতে যেতে হবে তোকে।”

আমি বললাম “ ঘুরতে যাবার সাথে ওয়ান পিসির কি সম্পর্ক ?” মাসি বললো “ এটাই শর্ত “

আমি বললাম “ আচ্ছা যাবো “।

তারপর আমরা হাসতে হাসতে, ইয়ার্কি ফাজলামি করতে করতে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে মলে ঘুরে বেড়ালাম। একেকটা শপিং ব্যাগে শুধু রঙ, ডিজাইন আর নতুন কল্পনার গন্ধ জমতে লাগল।

শপিং শেষ করে বাইরে বেরোতেই সকাল সাড়ে এগারোটার আকাশে রোদ পুরো মাথার ওপরে লাগলো। মাসি বললো -” বাড়ি চল স্নান করেই বেরোতে হবে , গাড়ি বলা আছে। “

বাড়িতে এসে স্নান করে রেডি হয়ে বেরোলাম আমরা, বলা হয়নি মাসি তখন একটা হলুদ রঙের কুর্তি পরেছে সঙ্গে সাদা leggins। গাড়িতে যেতে যেতে আমি মাসির দিকে তাকাতেই মাসি বললো — “ তোকে সাজাবো আমার থেকেও ভালো করে “। আমি বললাম- “ গয়না কিনলে না , নুপুর কি হলো ? “

মাসি দুষ্টুমিভরা একটা চাওনি দিয়ে , কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বললো- “সব পরাবো তোমাকে , চিন্তা করতে নেই। খুব মেয়ে হবার শখ তোর , দেখবো কত্ত সাজিস। “ এই বললাম “ শুধু দেখবে ? আর কিছু চাই না ? “

মেসি হালকা মুচকি হেসে বললো “ চাই তো “

আমি বললাম “ কি চাই ? “

মাসি বললো “ স-অঅঅঅব “

ট্যাক্সি ছুটে চলল শহরের ভিড়ের মধ্য দিয়ে, আর আমার মাথায় ঘুরছিল — মাসি খুব জ্বালাতন করবে আমাকে এই কদিন।

আপনাদের একটা কথা জানিয়ে রাখি , পন্ডিচেরী কে অনেক খেতে পুদুচেরি বলে , বর্তমান নাম কিন্তু পুদুচেরিই , তো আমার কোথায় যদি পুদুচেরি শোনেন তাহলে অবাক হবেন না ।

হাওড়া স্টেশন থেকে চেন্নাইয়ের ট্রেনে চড়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আমি আর আমার মাসি। আগের দিন রাতেই ব্যাগ গুছিয়ে রেখেছিলাম, মাসি বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন যেন উনি বানানো নাস্তা নিতে ভুল না করি। ট্রেন ছাড়তেই ধীরে ধীরে স্টেশনের কোলাহল পেছনে পড়ে গেল। সারাদিন আমরা গল্প করলাম, মাঝে মাঝে চুপচাপ জানলার বাইরে তাকিয়ে রইলাম — সবুজ মাঠ, ছোট ছোট শহর, আর অসীম গ্রামবাংলার দৃশ্য। দীর্ঘ যাত্রা হলেও সেই সব ছোট ছোট মুহূর্তগুলো একে খুব সুন্দর করে তুলেছিল।

পরের দিন সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ছ’টার সময় আমরা পৌঁছালাম চেন্নাই সেন্ট্রাল স্টেশনে। ভিড় ছিল অনেক, মাসি আমার হাত শক্ত করে ধরে রাখলেন যাতে হারিয়ে না যাই। অল্প একটু চা খেয়ে আমরা পুদুচেরির উদ্দেশ্যে আরেকটি ট্রেনে উঠলাম। বাইরে তখন অন্ধকার নেমে এসেছে, আর ট্রেনের চাকার শব্দ যেন এক ধরণের লোরির মতো লাগছিল। চেন্নাই থেকে পুদুচেরি পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা লেগে গেল, তখন প্রায় রাত হয়ে গিয়েছিল।

স্টেশন থেকে আমরা অটো করে সোজা হোটেলে চলে গেলাম। হোটেলটি সমুদ্রের একদম ধারে — মাসির চোখ আনন্দে জ্বলে উঠল যখন উনি প্রথমবার দেখলেন। নোনা হাওয়া আর ঢেউয়ের শব্দে জায়গাটা যেন আরও মায়াময় হয়ে উঠল। চেক-ইন করে মাসি সোজা বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালেন, সমুদ্রের চাঁদের আলোয় ভেসে যাওয়া দৃশ্য দেখে তিনি বললেন — “ঠিক এরকমই জায়গা ভেবেছিলাম।”

সেই রাতে আর ঘোরাঘুরির শক্তি ছিল না। হোটেলের রেস্তোরাঁয় সোজা রাতের খাবার খেয়ে আমরা ঘরে ফিরে এলাম। বারান্দার দরজা খোলা রেখে শুয়ে পড়লাম, সমুদ্রের হাওয়া ভেতরে ঢুকছিল আর ঢেউয়ের মৃদু শব্দ কানে আসছিল। মাসি ক্লান্ত হলেও মুখে ছিল পরিতৃপ্তির হাসি, আর আমি ঘুমিয়ে পড়লাম ভোরের নতুন অভিযানের স্বপ্ন নিয়ে।

সেদিন রাতে আমাদের কোনো মেলামেশা বা খুনসুটি হয়নি কিছু, ক্লান্তির জন্য আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙলো মাসির সুন্দর মায়াবী আওয়াজে “ কিগো ওঠো এবার , কত্ত ঘুমোবে আর ? প্রায় ১০টা বাজতে যায়। “

আমি ঘুম ভেঙে দেখি মাসি আমার পাশে একটা সুন্দর নাইটি পরে আমার দিকে চেয়ে আছে, যেটা আগের দিন রাত্রে পরে ঘুমিয়েছিলো।

আমি বললাম “ এভাবে ডাকতে নেই, যখন দেখলে চোখ মেলে চাইলাম তখন তোমার আমাকে চুমু দেওয়া উচিত ছিলো। “ মাসি মুচকি হেসে আমাকে আবার বিছানায় ফেলে দিয়ে ঠোঁট গুলো চুমিয়ে দিলো , আমি বললাম “ এভাবে না , ভালো করে চাই। “ মাসি কিছু না বলে মুচকি হেসে আমার হাত দুটো মাথার পাশে ধরে আমার উপর উঠে শক্ত করে ধরে আমার ঠোঁট দুটো চুষতে লাগলো। আমিও উমমম উমমম করে রেসপন্স করতে লাগলাম। প্রায় পনেরো মিনিট পরে মাসি ছেড়ে দিয়ে বললো “ হয়েছে সোনা এবার ? “

আমি বললাম “ হ্যাঁ, খুব হয়েছে, তোমার কাছে আদর খেতে চাই। করবে আমাকে ? “

মাসি বললো “ করি তো “ আমি বললাম “ ওভাবে না , যেভাবে একটা একটা বৌ আদর খায় তার বরের কাছে “

মাসি হঠাৎ অবাক চোখে তাকিয়ে গলা নরম করে বললো “ কিভাবে হবে শুনি ? আমি তো মেয়ে , আমি তো ছেলে না “

আমি বললাম “ তোমাকে ছেলে হতে হবেনা , তুমি মেয়েই কিন্তু অনেক বেশি কিছু একটা ছেলের থেকে। “

তারপর আমি মাসিকে ফোনে দুটো সেক্স ভিডিও দেখলাম যেখানে দেখানো হচ্ছিলো যে একটা ছেলেকে তার বৌ ডিলডো দিয়ে এনাল সেক্স করছিলো। আমার মাসি দেখে বললো “ তোর খুব কষ্ট হবে তো সোনা , খুব ব্যাথা হবে তো “ আমি বললাম “ তুমি ব্যাথা দেবে কেন ?” মাসি বললো “ একবার করলে যদি নেশা হয়ে যায় ? তখন রোজ করতে ইচ্ছা করবে যে , তখন আমার কষ্ট হয়ে তোকে না পেলে “

আমি বললাম “ সে দেখা যাবে , কিন্তু তুমি করতে রাজি তো ?” মাসি বললো আমাকে জড়িয়ে ধরে “ আমি মাসি হয়ে তোকে ফাক করবো বাবু ? তোর মা জানতে পারলে কি হবে ? “ আমি বললাম “ কিছু হবে না , করবে তো মাসি ? “ মাসি চুপি করে ছিল দেখে আমি মাসির বাঁ দিকের দুদুটা আল্টো করে টিপে দিয়ে বললাম “ কিগো সোনা কিছু বলো। “ মাসি লজ্জা লজ্জা করে বললো “ খুব লজ্জা করছে আমার , তুই যদি এতে শান্তি পাস্ আমি রাজি , তবে আমার আরো অনেক কিছু জানতে হবে এগুলো নিয়ে। আমি কয়েকটা ভিডিও দেখি তারপর দেখা যাবে। এখন চল ফ্রেশ হয়ে ঘুরে আসি একটু , তারপর বাড়ি ফিরে একদিন করবো কথা দিলাম। “

আমি মাসিকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে লাগলাম , তখন মাসি বললো “ তবে খুব সাজবো তোকে নিয়ে আজকে সন্ধ্যায়, চুপ করে বসে সাজবি। “

আমি বললাম আচ্ছা , তারপর আমরা দুজনে উঠে ফ্রেশ হলাম , বাইরে তখন প্রায় এগারটা বাজতে যাচ্ছে , তখন আমরা রেডি হয়ে ব্রেকফাস্ট করতে বেরিয়ে পড়লাম , দেখলাম যে একটু দেরি হয়ে গেছে আজকে যেতে , কিন্তু হোটেল পেয়ে গেলাম , দুজনে গিয়ে ব্রেকফাস্ট করে ঘুরতে বেরোলাম , একটা গাড়ি বুক করে নিলাম।

গাড়িতে মাসি আমার হাত ধরে বসে ছিল সারাটা রাস্তা খালি মাসির সাথে খুনসুটি করতে করতে বেড়ালাম শুধু যখন গাড়ি থেকে নেমে কোথাও যেতে হচ্ছিলো তখন শুধু সুন্দর ভাবে যাতায়াত করছিলাম ।

রাস্তায় রোদ গরম হলেও সমুদ্রের হাওয়ায় মনটা বেশ ভালো লাগছিল। প্রথমে আমরা গেলাম অরবিন্দ আশ্রমে, শান্ত আর নিরিবিলি পরিবেশে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে মন যেন একেবারে হালকা হয়ে গেল। বলে রাখি যে পন্ডিচেরীতে ফ্রেঞ্চ আধিপত্য থাকার জন্য ইটা একটা বেড়ানোর জন্য একটা হেরিটেজ সাইটও বটে। সেখানে দেখলাম অনেক বিদেশীরা ও বিদেশিনীরা চেয়েছেন। মাসি হঠাৎ আমার হাতে আল্টো একটা চিমটি কেটে বললো “ এই যে মিস্টার প্রজাপতি, কেমন লাগছে বিদেশিনীদেরকে দেখতে ? কাকে পছন্দ হচ্ছে বলো ? “ আমি বললাম পরে বলবো। মাসি বললো এদের মতো দুষ্টুমি লুকে সাজাবো তোকে আজকে, আর শোন “ আমি তোকে ভালোবাসি খুব।”

আমি বললাম মজা করে “ বিয়ে করবে আমাকে ? “

মাসি দেখলাম কয়েক মুহুর্ত্ব যেন সাইলেন্ট হয়ে গেলো , তারপর মুচকি হেসে হাত ধরে বললো “ চলো এবার।”

এরপর আমরা ঘুরে এলাম প্রমেনেড বিচ, ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টারের রঙিন বাড়িঘর আর ছোট ছোট ক্যাফে দেখে মাসির মুখে হাসি লেগেই ছিল। দুপুরে একটি সুন্দর সমুদ্রপাড়ের রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া করলাম। খাওয়ার পর আবার যাত্রা শুরু — এইবার গেলাম বোটানিক্যাল গার্ডেন, তারপর গণপতি মন্দিরে। প্রতিটি জায়গাতেই কিছু না কিছু বিশেষত্ব ছিল, আর ছবি তোলায় তো ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম আমরা দুজনেই।

বিকেল গড়িয়ে প্রায় সন্ধ্যা ছ’টার সময় আমরা হোটেলে ফিরে এলাম। সারাদিনের ঘোরা-ঘুরি আর রোদের মধ্যে হাঁটাহাঁটিতে শরীর ক্লান্ত হলেও মন ভরে গিয়েছিল। মাসি বারান্দায় বসে চা খেতে খেতে বললেন, “আজকের দিনটা সত্যিই মনে রাখার মতো।” সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে আমাদের হাসি মিশে গিয়ে পুদুচেরির সেই সন্ধ্যাকে আরও সুন্দর করে তুলল।

— — — — — — — — — — — — — — — — — -

সেদিন বিকেলটা ছিল একেবারে আলাদা রকমের, আমরা বেরিয়ে এসে হোটেলে ফিরে ফ্রেশ হতে চাইলাম কারণ পন্ডিচেরিতে সাংঘাতিক গরম সারা বছর, ওখানে লেপ কম্বল বিক্রি হয় না, ওখানকার মানুষ জানেন না যে আসলেই শীতকাল কেমন হয়। মাসিকে বললাম চলো একসাথে স্নান করবো, মাসি মুচকি হেসে বললো “ পরে হবে, আমি আগেই যাই , আমার হয়ে গেলে আমি ড্রেস বার করে রাখবো, তুই স্নান করে আয়, সাজতে হবে আজকে সোনা।”

শোন “আজ তোকে একদম নতুন সাজে সাজাবো।”

প্রথমে আমি একটু অবাক হয়ে তাকালাম, কিন্তু মাসির চোখে দুষ্টু হাসি দেখে রাজি না হয়ে পারলাম না। তারপর আমি একটু ওয়েট করতে লাগলাম আর মাসি গেলো স্নান করতে, প্রায় ৩০ মিনিট পরে স্নান করে একগাল হাসি নিয়ে বেরিয়ে এলো মাসি, আমি বললাম এতক্ষন কি করো ? মেয়েদের স্নান করতে এত্ত কেন সময় লাগে ? “

মাসি বললো “বাজে না বকে স্নান করে আয় “ আমি কথা না বাড়িয়ে স্নান করতে গেলাম, স্নান করে ১৫ মিনিট পরে বেরিয়ে দেখি মাসি আমার জন্য সুটকেস থেকে একটা নীল রঙের সুন্দর কুর্তি আর সাদা লেগিংস বার করে রেখেছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “আমার জন্য?” মাসি হেসে বললেন, “হ্যাঁ রে।”

আমি বললাম “ তুমি সাজবে না ?” মাসি বললো “ সাজবো তো, সাজাতে সাজাতে সাজাবো। “

আমি বললাম আচ্ছা, দেখি কেমন আমাকে মাসি সাজায়, মাসি বললো “ ভালো করেছিস যে দাড়ি কেটে এসেছিস বেড়াতে, নাহলে সাজলে একমুখ দাড়ি নিয়ে সাজবি, বাজে লাগবে।” আমি বললাম “ ওও আচ্ছ।”

মাসি আমাকে বললো “ শুয়ে পর “, আমি বললাম “ কেন ? “ মাসি বললো “ মেকাপ করবো আগে , তারপর ড্রেস পরবি “ আমি বললাম আচ্ছা। তারপর আমি শুয়ে পড়লাম চোখ বন্ধ করে

মাসি প্রথমে আমার মুখটা নরম টাওয়েল দিয়ে মুছে পরিষ্কার করলেন — আগে ফেসওয়াশ, তারপর টোনিক। তারপর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে সামান্য ম্যাসাজ করে ত্বককে নম্ন করে নিলেন যাতে মেকআপটা ভালো বসে। পরের ধাপে তিনি প্রাইমার মুখে লাগিয়ে দিয়ে আমার চামড়ার অনিয়মতা গলে যাওয়ার মতো সাবধানে ব্লেন্ড করলেন। ফাউন্ডেশন নরম স্পঞ্জ বা ব্রাশ দিয়ে হালকা ট্যাপ করে পুরো মুখে সুন্দরভাবে করে দিলেন, চোখের নিচে কনসিলার লাগিয়ে অন্ধকার ছোপগুলো ঢেকে দিলেন, এবং সব স্থাপন করতে অল্প পাউডার ব্যবহার করলেন — প্রতিটি স্টেপে তার হাত নির্ভুল ছিল এবং সাজানোর সময় গুনগুন করে গান গাইছিলেন “ আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ …. “

চোখে আস্তে তিনি প্রথমে আইপ্রাইমার লাগিয়ে, ব্রাশ দিয়ে হালকা শেড দিয়ে ক্রিজে আরও গভীরতা দিলেন; চোখের কোণে একটুখানি উজ্জ্বল শেড দিয়ে লুকটা জীবন্ত করেছেন। সাবধানে আইলাইনার টেনে, পরে ভ্রুতে পেন দিয়ে ভরাট করে দুশ্চিন্তা-মুক্ত ভ্রু বানালেন; মাসকারা লাগিয়ে পলকগুলোকে ফুলিয়ে তুললেন। গালে দু’পাশে নরম ব্লাশ, নাক ও গাল হালকা হাইলাইট দিয়ে মুখে কোমল আভা আনলেন। ঠোঁটে আগে লিপবাম লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে তিনি হালকা রঙের লিপস্টিক দিয়ে শেষ করলেন, তারপর সেটিং স্প্রে ছিটিয়ে মেকআপটা টেকসই করে দিয়ে সবকিছু ভালোভাবে ঠিক করে দিলেন — মাসির ধৈর্য, গুনগুনানি আর প্রফেশনাল টাচ সেই মূহুর্তটাকে সত্যি সুন্দর করে তুলেছিল।

ঘর ভরে গেল সাজগোজের আবহে। মাসি আমাকে বললো “ দাঁড়া, মেকাপ শেষ কিন্তু এখন তোকে সাজতে হবে সোনা।” আমি বললাম “ তুমি কখন সাজবে ? “ মাসি বলে “ সাজবো রে সোনা , দাঁড়া একটু সাজিয়ে নিই তোকে।”

মাসি সেদিন একেবারে মজা করার মুডে ছিলেন। তিনি হেসে বললেন, “আজ তোকে একেবারে দুষ্টু একটা বান্ধবী সাজাবো।” প্রথমে তিনি একটি কালো প্যাডেড ব্রা এবং স্টাইলিশ প্যান্টি বার করলেন। একটু লজ্জা পেলেও আমি হাসতে লাগলাম, কারণ মাসির ভঙ্গিটাই এত মজার ছিল। তিনি আমার কাছে এসে দুষ্টুমি ভরা চোখে ধীরে ধীরে আমাকে ব্রা পরিয়ে দিলো ও বললো হাসি হাসি গলায় স্ট্র্যাপ ঠিক করতে করতে “ আর টাইট করবো ? “ আমি বললাম “না ঠিক আছে।” কাঁধ বড়ো হবার জন্য প্রথম হুকটাতেই ভালোভাবে ফিট হল। এরপর মাসি বললো “ প্যান্ট খুলে ফেলো সোনা, প্যান্টি পরতে হবে যে। “ বলেই হেসে বললো দুষ্টুমি ভরা হাসিটা। আমি প্যান্ট খুলে উলঙ্গ হয়ে যেতেই মাসি আমাকে প্যান্টিটা পরিয়ে দিলো।

মাসি বললো “ দেখেছিস, একদম ঠিকঠাক বসেছে।” আমরা দুজনেই হেসে ফেললাম, মুহূর্তটা ছিল হালকা আর আনন্দময়।

এরপর মাসি নীল রঙের স্লীভলেস কুর্তি এনে ধীরে ধীরে কুর্তিটা মাথার ওপর দিয়ে পরিয়ে দিলো, কুর্তির পিঠটা সুন্দর করে কাটা তার সাথে সুন্দর দুটো লটকন ছিল, মাসি টাইট করে লটকন টা পরিয়ে দিয়ে সাদা লেগিংস পায়ে পরিয়ে দিলেন ঠিকঠাকভাবে। পোশাক পরে যখন আয়নার সামনে দাঁড়ালাম, মাসি হাততালি দিয়ে বললেন, “ওয়াও! একদম পারফেক্ট।” আমাদের দুজনের চোখেই তখন হাসি আর আনন্দ। সেদিনের সেই সাজগোজে লজ্জা, মজা আর একধরনের সুন্দর উষ্ণতা মিশে ছিল, যা এখনো মনে পড়লে মন ভালো হয়ে যায়।

তারপর মাসি আমাকে উইগটা পরিয়ে দিলো , বললো নুপুর পরবে তো সোনা ? আচমকাই আমাদের ঘরের দরজায় পড়লো টোকা, মাসি বললো “ খাবার দিতে এসেছে “ , আমি বললাম “ মানে ?” মাসি বললো “ খাবার টা নিয়ে বাকিটা করবো , দাঁড়া। “

খাবার টা নিয়ে ঘরে রেখে দিয়ে মাসি বললো “ এবার আমি সাজবো “

আমি বললাম কি পরবে? মাসি বললো “ কালো কুর্তি আর সাদা লেগ্গিনস “ আমি বললাম পরো, আমি দেখি। মাসি আমার সামনে নাইটি খুলে ছুঁড়ে ফেলে দিলো , আমার সামনে মাসি সম্পূর্ণ উলঙ্গ কিন্তু স্তনগুলো হাতে আড়াল দিয়ে তাড়াতাড়ি ব্রা টা নিয়ে পরতে লাগলো পিছন ফিরে বললো “ আটকে দে স্ট্রাপটা “ আমি কাছে গিয়ে টেনে লাগিয়ে দিলাম , বললাম “ বেশ টাইট। “

মাসি খিলখিল করে হেসে উঠলো, তারপর মাসি প্যান্টি টা পরে নিল। তারপর নিজে নিজেই কুর্তি টা পরে নিয়ে লেগ্গিনস পরে নিয়ে লিপস্টিক লাগিয়ে নিয়ে বললো “ দেখো সোনা, পছন্দ হয়েছে ? “

আমি বললাম “ এটা আমার প্রশ্ন তোমাকে।” আমি মাসির কাছে আসতেই মাসি আমাকে জড়িয়ে ধরলো ,আমার কানে কানে বললো “ ভালো লাগছে সোনা ? “ আমি বললাম “ নুপুর পরতে চাই “ মাসি বললো “ আগে চলো ডিনার করে নিই, তারপর হবে। আমি বললাম আচ্ছা। তারপর আমরা ডিনার করে নিলাম, ডিনার করে বালিশে হেলাম দিয়ে বসে ছিলাম, হঠাৎ দেখি মাসি মুচকি হাসি দিয়ে একজোড়া নুপুর নিয়ে আমার কাছে বসে আমার পায়ে পরিয়ে দিতে লাগলো, আমি শিহরিত হতেই মাসি বললো “ এত্ত নুপুর পড়ার শখ তোমার, সারারাত পরে থাকবে, আজকে আমরা এভাবেই থাকবো, কাল কোথাও বেরোবো না।”

আমি বললাম এস তোমাকেও আমি পরিয়ে দিই , মাসি কিছু না বলে একটা সেক্সি দেখে নুপুর দিলো আমাকে যাতে খুব শব্ধ হবেনা কিছু হালকা আওয়াজ হবে অবশ্যই। কিন্তু আমাকে যে নূপুরটা পড়িয়েছে সেটাতে শব্দ ভালোই হবে , একটু নড়াচড়া করলেই হবে। আমি মাসিকে নুপুর পরিয়ে দিলাম, মাসি নতুন বৌয়ের মতো চুপ করে বসে নুপুর পরে আমাকে জড়িয়ে ধরে কিস করতে লাগলো , আমি বললাম “ কি করছো মাসি ? মাসি বললো “ আজকে সারারাত তুই আমাকে আদর করবি।” আমি বললাম “ কানে দুল পড়ার ইচ্ছা ছিল কিন্তু তুমি তো পরালে না কানে ফুটো নেই বলে, মাসি সাথে সাথে চুমু খাওয়া বন্ধ করে আমার দিকে তাকিয়ে বললো “ ব্যাগে আছে , বার করতে ভুলে গেছি , দাঁড়া “ বলেই বিছানা থেকে উঠে সুটকেস থেকে দুটো ঝোলা ঝোলা কানের বার করে আমাকে পরিয়ে দিলো, কানে ফুটো না থাকার কারণে adhesive দিয়ে পরিয়ে দিলো , বললো “ কম করে ৮ ঘন্টা কানে থাকবে এটা, খুলে যাবে না।” তারপর আমাকে একটা সুন্দর স্টাইলিশ নেকলেস পরিয়ে দিলো। পরিয়ে বললো “ খুব সেক্সি লাগছে তোকে রে, আমি আনন্দে মাসিকে জড়িয়ে ধরে বললাম “ আই লাভ ইউ মাসি “

মাসি বললো আমার ডাক নাম “ দিয়া “ , দিয়া বলে ডাকবি। আমি তারপর মাসিকে কিস করলাম চকাস করে, মাসি আমাকে বিছানায় ফেলে কিস করতে লাগল। তারপর মাসির ছোয়া পেতে লাগলাম, মাসি বলল কাল আদর করবি আমাকে খুব করে, আমি আজকে তোকে এভাবেই আমার বুকে পেতে চাই, কষ্ট হলে আমাকে রাত্রে বলবি, গয়না খুলে ঘুমোবি , কিন্তু নুপুর পরেই থাকবি, মাসি দুষ্টুমি করে বললাম “ আর ব্রা খুলে ঘুমাবো নাকি ?” মাসি মুচকি হেসে দুষ্টুমি করে নরম সুরে বললো “ আমি আমার সোনার দুদুগুলো টিপতে টিপতে ঘুমাবো যে, কিছু খোলা যাবেনা। “ তারপর আমরা ঘর অন্ধকার করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে খেতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল নেই, ঘুম থেকে উঠে দেখি মাসি আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে , আমার কানে তখন দুল আর নেকলেস নেই, তারমানে মাসি রাত্রে উঠে খুলে দিয়েছে আমি বুঝতে পারিনি।

মাসিকে ডাকিনি, ঘুমোচ্ছে ঘুমাক, আমি একটু উঠে ওয়াশরুমে যাবো ভেবে যেই উঠতে গেছি

অমনি খেয়াল করলাম মাসি আমার কুর্তিটা খামচে ধরে ঘুমোচ্ছে , আমি মাসির হাত থেকে কুর্তিটা আলতো করে ছাড়াতে চাইলে দেখি দুহাত দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে আরো কাছে সরে এসে আমার ঘাড়ের কাছে মুখ রেখে কানে কানে বললো “ ছাড়বো বলে তো ধরিনি, যতদিন বেঁচে আছি ততদিন ছাড়বো না তোকে” তারপর আমার কানের লতিটা চুমু দিয়ে বললো “ গুড মর্নিং সোনা, ঘুম হয়েছে ? “ আমি বললাম “ হু “

মাসি বললো উঠো ফ্রেশ হতে হবে, আজকে অনেক আদর খাবো আমি তোমার কাছে। আমি উঠতেই মাসি বললো “এখনো উইগটা খুলে যায়নি, মেকাপ নষ্ট হয়নি বেশি, একটু টাচ আপ , দ্যাটস অল।“

আমি উঠেই মাসির দুদুগুলো টিপে দিলাম, মাসি কিছু না বলে হেসে উঠে ওয়াশরুমে গেলো, আমি বললাম “আজকে একসাথে স্নান করবো কিন্তু”

মাসি বললো “রাত্রে।”

তারপরে মাসি ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে ফোন করে রিসেপশনে বললো ব্রেকফাস্ট দিতে, কিছুক্ষনের মধ্যেই এসে গেলো , আমি ফ্রেশ হয়ে এসে খেয়ে নিয়ে মাসির দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলাম, মাসি বললো “এবার গয়না গুলো পর, আয় পরিয়ে দিই, আমি বললাম “ দিয়া দাও। “

মাসি বললো “ মানে ? “ আমি বললাম “ তোমার নাম তো দিয়া , তাই বললাম দিয়া — দাও “ মানে “ দিয়া পরিয়ে দাও।”

মাসি হাসতে হাসতে পরিয়ে দিলো, বললো তুই “ কুর্তি পরেই থাকবি নাকি অন্য কিছু পরবি ?” আমি বললাম “ কুর্তি এখন ভালো লাগছে না” , মাসি বললো “ তাহলে নাইটি পর বাবু “

তারপর আমি কুর্তি খুলে ফেলতেই মাসি দুষ্টুমি করে বললো “ উমমম কি বড়ো বড়ো দুদু আমার বাবুটার “ আমি বললাম লজ্জা করে না নাকি ?”

মাসি বললো “ লোকাল ট্রেনের লেডিস কম্পার্টমেন্টএ অনেক কিছু হয় এটা তো কিছুই বলিনি , এতেই লজ্জা , বাব্বা “

তারপর লেগ্গিনস খুলে নাইটি পরলাম, দেখি মাসিও সব খুলে ফেলে শুধু ব্রা ও প্যান্টি পরে শুলো বিছানায়, মাসিকে বললাম “ কানে দুল পরো তুমিও, তবে ভালো লাগবে।“

মাসি কথা না বাড়িয়ে কানে দুটো গোল গোল রিং পরে বললো “এস এবার কাছে “

আমি কিছু না বলে বিছানায় গেলাম। কিন্তু তারপর আমাদের মধ্যে কতক্ষন দুষ্টুমি হয়েছে বা কিভাবে দুষ্টুমি করলাম সেসব আর বিস্তারিত বলছি না, একান্ত ব্যক্তিগত সেটা 😉😉😉😉

আদর খেয়ে মাসি উঠে ফ্রেশ হয়ে এসে বললো “ তুই না খুব পাজি। তবে তুই আমার সোনা বাবু, চল দুজনে আজকে কিছু ছবি তুলবো, তার আগে ফ্রেশ হয়ে নাও , স্নান করে নাও দুপুর তো আর নেই , ৩টা বাজতে যায়, সারাদিন আদর করতেই চলে গেল।” আমরা দুজনে তারপর একটু ভালো করে স্নান করে নিলাম, ওয়াশরুমে গিয়ে কোকোনাট অয়েল দিয়ে তুলোতে নিয়ে মুখে ঘষে ঘষে মেকাপ তুলে দিলাম, স্নান করে বেরিয়ে দেখি মাসি ব্রা পরে আর প্যান্টি পরে বসে আছে আর কার সাথে কথা বলছে ফোনে, আমি বললাম ইশারায় “ কে গো ? “ মাসি বললো “ আমার বন্ধু রমা দত্ত from কলকাতা। “

তারপর ফোন রেখে বললো “ অনেকদিন পর ফোন করলো, ওর নতুন বিয়ে হয়েছে, বিবাহিত জীবন কেমন কাটছে জিজ্ঞেস করলাম, কথা হলো। “

আমি বললাম দুষ্টুমি করে “ আর কিছু জিজ্ঞেস করলে না ? “ মাসি চোখ মেরে বললো “ ও আমার থেকে ছোট অনেক , ফেসবুক ফ্রেন্ড ও , তবে জিজ্ঞেস করার দরকার নেই কারণ তুমি খুব বদমাশ।” সকাল এগারো তা থেকে দুপুর আড়াইটে অবধি আমাকে যেভাবে বিছানায় নিয়ে আদর করলে, উফফফফ এর পরে কাউকে জিজ্ঞেস করবোনা , তোমার এত্ত দুষ্টুমি জমে আছে শরীরে, জানতাম না।”

বলেই খিলখিল করে হেসে ফেলল। আমি বললাম “ আমিও চাই তুমি আমাকে এভাবে করবে , মাসি বললো ঠিকাছে করবো সোনা ।”

এর পরে আমরা একটু বেড়াতে গিয়েছিলাম সেদিন, তারপরে আমাদের দুষ্টুমি, আদর, সাজুগুজু সব এভাবেই চলতে থাকে, দুদিন পরে একটা ছোট্ট ঘটনা ঘটে, সেটা পরের গল্পে বলবো।

পরে আরো বিস্তারিত ভাবে বলবো তার পরের ঘটনা গুলো কি ছিল


Copyright and Content Quality

CD Stories has not reviewed or modified the story in anyway. CD Stories is not responsible for either Copyright infringement or quality of the published content.


|

Comments

No comments yet.